নব্যজমিদার বংশ - পৃষ্ঠা নং-১০

রাজবাড়ি কলেজ গেটে একটি ফলক রয়েছে তাতে লেখা রয়েছে এসইউ খান। তিনি কলেজ অফিস গেটের নমুনা তৈরী করেন। রাজবাড়ি জেলা প্রশাসকের বাসা সংলগ্ন চিলড্রেন পার্কের নমুনাও তিনি তৈরি করেন। সাইদ উদ্দিন খানের পূর্বপুরুষ নবাব সিরাজউদদৌলা পরিবারের রক্তের সম্পর্কে আবদ্ধ।

সাইদ উদ্দিন খানের ছেলে মোঃ জিন্নাহ খানের (আম বাবু) নিকট থেকে জানা যায় মুর্শিদাবাদের নবাব বাড়ির পার্শ্বস্থ চানকুঠি তাদের পূর্বপুরুষের বসতবাটি। সেখানে এখনো তাদের আত্মীয়স্বজন বসবাস করেন। নবাব সিরাজউদদৌলার শাসনকাল খুবই স্বল্প সময় স্থায়ী হয়। তার শাসনকালে বাংলার ইতিহাস যখন কালো মেঘের ঘনঘটায় আচ্ছন্ন, এ সময়কালেই সাঈদ উদ্দিন খানের পূর্বপুরুষ মুর্শিদাবাদ থেকে রাজশাহীতে চলে আসেন। তাদের বংশধর জসিম উদ্দিন খানের চার ছেলে। তাদের মধ্যে সাঈদ উদ্দিন কান বৃটিশ শাসনামলে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৫৮ সালে মেজর থাকাকালীন চাকরিতে অবসর নেন। তৎকালীন পাকিস্তান সরকার রাজবাড়িতে পরিত্যাক্ত ড্রাই-আইস উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে তাঁকে নিয়োগ করেন। সাইদ উদ্দিন খানের ছেলে মোঃ জিন্নাহ খান (আম বাবু) রাজবাড়ির সজ্জনকান্দায় স্বায়ীভাবে মা, বোন পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। মোঃ জিন্নাহ খান দ্বাদশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। মোঃ জিন্নাহ খানের বাড়িতে নবাব পরিবারের ব্যবহৃত বহু জিনিসের স্মৃতি চিহ্ন এখনো বিদ্যামান। নবাবদের ব্যবহৃত ফল পরিবেশনের বর্তন, চানকুঠির ব্যবহৃত ব্যাংকের পাস বই স্বযত্নে সংরক্ষিত আছে। জিন্নাহ খান (আম বাবু) পরলোকগমন করেছেন। 

Additional information