ধর্মীয় সম্প্রদায় - পৃষ্ঠা নং-২১

মতিয়াগাছিতে প্রতি বৎসর ৯ মহরম দিবাগত রাত্রে মহরম পাকের মিছিল পাক, মর্ছিয়া পাক ও মাতম পাক বহু লোকের সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। রাজবাড়ি খানকা শরীফ বড় মসজিদে ও আঞ্জুমান-ই-কাদেরীয়ার প্রতিটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মেদিনীপুর ওরশ স্পেশাল ট্রেনের যাবতীয় কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়। আঞ্জুমান-ই-কাদেরীয়ার সমস্ত ধর্মীয় কার্যাদি সুসম্পন্ন করার জন্য নিম্নরুপ একটি কার্যকারী কমিটি রয়েছে।

সভাপতি                 :         কাজী ইরাদত আলী

সহ-সভাপতি             :         মোঃ আনোয়ার হোসেন

সম্পাদক                 :         মোঃ শওকত আলী মোল্লা

সহ-সম্পাদক             :         অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান

 সহ-সম্পাদক             :         মোঃ মাহবুবুল আলম

কোষাধ্যক্ষ               :         মোঃ জাকির হোসেন

সহ কোষাধ্যক্ষ           :        ডা. লুৎফর রহমান

সদস্য                    :         মোঃ শুকুর আলী

সদস্য                    :         মোঃ মোশারফ হোসেন

সদস্য                    :         মোঃ আব্দুল আজিজ খোকন

সদস্য                    :         কুদরত-এ-মওলা পান্না

হযরত বড় হুজুর পাক এর অশেষ রহম করমে বান্দার এ লিখন সর্বপ্রকার ভুল-ত্রুটি মার্জনীয়।

অনুলিখন

অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, সহ-সম্পাদক আঞ্জুনাম-ই-কাদেরীয়া, রাজবাড়ি। অ্যাডভোকেট, রাজবাড়ি জজ কোর্ট, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক, রাজবাড়ি জেলা বার এসোসিয়েশন। বর্তমান ঠিকানা : সর্জ্জনকান্দা ২ নং বেড়াডাঙ্গ সড়ক, রাজবাড়ি পৌরসভা। স্থায়ী ঠিকানা : সাং মতিয়াগাছি, পোঃ পাঁচুরিয়া, থানা ও জেলা-রাজবাড়ি।

সাহ সাদুল্লা

সাহ সাদুল্লা মীর মশাররফ হোসেনের পূর্বপুরুষ। মীরের বর্ণনায়----‘জগত বিখ্যাত বোগদাদ নগর হতে তাপস প্রবর সাহ সাদুল্লাহ ভ্রমণ করতে করতে ভারতবর্ষ ভারতভর্ষ ভ্রমণ করতে করতে বঙ্গদেশ, বঙ্গদেশ ভ্রমণ করতে করতে অধুনায়াতন ফরিদপুরের অন্তর্গত সেকাড়া গ্রামে উপস্থিত।’ তার সময়কাল ১৫০০ শতকের মাঝামাঝি। তিনি লিখেছেন সৈয়দ সাদুল্লাহ এক আসেন নাই। তার সাথে বিস্তর লোক ছিল। তার বর্ণনায় শুধু শিষ্য সেবকই নয়, রজক, নরসুন্দর পর্যন্ত ছিল। সাদুল্লার পূর্ববঙ্গে আসার দু’টি কারণ ছিল -----এক সাদুল্লাহর ইচ্ছা ধর্ম প্রচার, দুই তার পিতার সন্ধান করা। সাদুল্লাহর পিতা ছিলেন সাহ পাহলোয়ানের গুরু।

Additional information