রেল ও রাজবাড়ি - পৃষ্ঠা নং-৭

স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের পর অন্যান্য দলের মতো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের অঙ্গদল হিসেবে অধিভুক্ত হয়। যেমন আওয়ামী লীগের বাংলাদেশ রেলশ্রমিক লীগ, বামপন্থীদলের বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক ইউনিয়ন। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে শ্রমিক শ্রেণির কল্যাণ সম্ভব নয় বিধায় এর কিছু সংখ্যক সচেতন কর্মী ও কর্মকর্তা শ্রমিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার কল্পে অনেক প্রতিকূল অবস্থার ভিতর ১৯৭৪ সালে ইস্ট-পাকিস্তান রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ লীগকে বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ লীগ নামকরণ করে। রাজবাড়ি শাখার দায়িত্ব নে গার্ড শওকত আলী মিয়া। তিনি আমজাদ হোসেন জোয়ারদারের তত্ত্বাবধানে শাখা পুনর্গঠন ও মজবুত করেন। শওকত আলী নবীন হলেও তার দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও সততার দরুণ তিনি জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ ফ্রিট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের সক্রিয় সদস্য হন। তিনি ১৯৯৮ সালে সরকারের পক্ষ থেকে দিল্লীতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ট্রন্সপোর্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের মহাসম্মেলনে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি খুলনায় অবস্থিত জোনাল শ্রম আদালতের একজন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত। তিনি বাংলাদেশ গার্ড কাউন্সিলের সহ-সভাপতি। রেল সংকোচনের ফলে রেল বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ইতিমধ্যে ভাটিয়াপাড়া ও ফরিদপুর লাইন বন্ধ হয়ে গেছে। রেল সংকোচন নীতি বাতিল ও রেল সম্প্রসারণ আন্দোলনে গঠিত রেলওয়ে সংগ্রাম পরিষদ এর কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবে শওকত আলী কাজ করে চলেছেন। রেলশ্রমিক আন্দোলনের সাথে রাজবাড়িতে বিশেষভাবে সংশ্লিষ্ট আছে রবিউল ইসলাম (রবিউল), আব্দুস সাত্তার, গোলাম মওলা, আজিজুর রহমান (দিলু), আব্দুল মান্নাফসহ (মোহন)অনেকে।

Additional information