শিল্পসংস্কৃতি - পৃষ্ঠা নং-২০

২৫। বাজিমাত, পয়ারে লিখিত বস্তু রচনা, ১৯০৮

২৬। মুসলমানদের বাঙ্গলা শিক্ষা, প্রথম ভাগ, ১৩১০

২৭। মুসলমানদের বাঙ্গলা শিক্ষা, প্রথম ভাগের প্রথম অংশ বাংলা স্বরবর্ণ, ব্যাঞ্জনবর্ণ-১৩১৩। স্বরবর্ণ অক্ষরের রুপান্তর দুই অক্ষরে শব্দ, তিন অক্ষরে শব্দ আকার, উকার ইত্যাদি

২৮। আত্মজীবনীমলক গ্রন্থ আমার জীবনী প্রথম, দ্বিতীয় ও চতুর্থ খণ্ড, ১৯০৮

২৯। আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ আমার জীবনীর পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, নবম, দশম খণ্ড, ১৯০৯

৩০। আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ-আমার জীবনীর একাদশ ও দ্বাদশ খণ্ড, ১৯১০

৩১। আরবী খুতবার বাংলা ও উর্দু ভাষার পদ্যানুবাদ-ঈদের খোতবা, ১৯০৯

৩২। বিবি কুলসুম, ১৯১০।

পদমদিতে মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র পরিচিতি

মীর মশাররফ হোসেন তাঁর শেষজীবনে স্ত্রী বিবি কুলসুমের সাথে পিতৃপুরুষের ভূমি পদমদিতে কালাতিপাত করেন। স্ত্রীর মৃত্যুর প্রায় দুই বছর পর তিনি পরলোকগমন করেন। প্রায় শত বছর ধরে এই কালজয়ী সাহিত্যিক ও তাঁর স্ত্রীর পাশাপাশি দুটি কবর জঙ্গলাকীর্ণ স্থানে অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকে। একসময় তাঁর কবর সাঁওতা বা লাহিনীপাড় নাকি পদমদি তা নিয়ে নানা বিতর্ক চলে। ষাট দশকের প্রথমে বিশিষ্ট গবেষক ড. ফকির আব্দুর রশীদ তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র। তাঁর বাড়ি পদমদি জেনে অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী মীরের কবরের সন্ধান করতে বলেন। ড. ফকির আবদুর রশীদ ও তার স্ত্রী ফিরোজা সুলতানা রশীদসহ আরো কয়েকজন জঙ্গলাকীর্ণ অবস্থানে সন্ধান কাজ চালিয়ে পাশাপাশি দুইটি কবরের সন্ধান পান। অবশ্য এ বিষয়ে গবেষক ও প্রাবন্ধিক মনিরুজ্জামান (কুষ্টিয়া) দ্বিমত পোষণ করেন। হীরকের দ্যুতি ম্লান হবার নয়। শত বছর পার হলেও তোমার কীর্তির জন্য তুমি যে মহান এ সূত্রতায় মীর মশাররফ হোসনে হীরকোজ্জ্বল। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে পদমদিতে মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। স্মৃতি কেন্দ্রটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা একাডেমীর তত্ত্বাবধানে প্রায় তিন কোট টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়।

তাঁর মাজারকে কেন্দ্র করে নির্মিত স্মৃতিকেন্দ্র কেবল নান্দনিক স্থাপনার বৃত্তে আবদ্ধ থাকলে চলবে না, বাংলাদেশের সাহিত্য গবেষণা, সংস্কৃতি গবেষণা, মীরের সাহিত্য ও তাঁর জীবন গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এখানে নানা ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মশালার পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবন মানের উন্নতিতে নানা প্রকল্প হাতে নেয়া যেতে পারে। একে কেন্দ্র করে সবুজ শ্যামলে আচ্ছাদিত পদমদি পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে, এ বিশ্বাস আমাদের আছে। রাজবাড়িবাসী আশা করে স্মৃতি কেন্দ্রটি দৈশিক গণ্ডী ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করবে।

প্রকল্প পরিচিতি

পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মৌলিক উদ্দেশ্যাবলী যথা দারিদ্র বিমোচন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মহিলাদের অংশ গ্রহণ পরিবেশের ওপর অনুকুল প্রভাব সম্পন্ন এবং পল্লী অঞ্চলের কর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প। এরই আলোকে গ্রহণ করা হয়। ‍উপযুক্ত উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে রাজবাড়ি জেলার বালিয়াকান্দি

Additional information