শিল্পসংস্কৃতি-৩ - পৃষ্ঠা নং-১৩

সিদ্দিকুর রহমান মাস্টার

মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাহিত্যকর্মী, নাট্যকার, রাজনীতি সচেতন সিদ্দিক মাস্টার। শিক্ষকতার সাথে সাথে সৃষ্টি করেন কবিতা, নাটক। সম্পাদনা করেছেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দুটি পুস্তিকা। সিদ্দিক মাস্টার বাঁশের লাঠি, একটি পা, একটি সাইকেল নিয়ে তার সন্তানবৎ ছাত্রদের যখন শিশু একাডেমীসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় নিয়ে যান তখন মনে হয় তিনি কেবল শিক্ষকই নন, ছাত্রদের ছাত্রদের ভবিষ্যৎ স্বপ্নদ্রষ্টা।

 

 

মোসাদ্দেক আহমেদ

সাহিত্য রচয়িতা, সৃষ্টিধর্মী লেখক মোসাদ্দেক আহমেদ স্বল্প সময়ের মধ্যে সাহিত্য জগতে বিশেষ স্থান অধিকার করেছেন। ভাষার বিশিষ্টতা এবং দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গীর স্বকীয়তায় ১২ টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। ভাষার বিশিষ্টতা এবং দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গীর স্বকীয়তায় ১২টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। তাঁর গল্পসমূহে মাটি সংলগ্ন মানুষের আটপৌরে ভাষা ও জীবন ঘনিষ্ঠতায় সহজেই অঞ্চল তথা মাতৃভূমিকে চিনে নেওয়া যায়। ‘হায়দার ফকির রিক্সা ভ্যানের গতিরোধ করে বলে, শান ভ্যানতে লাব’ ------এখানে যেমন গ্রামীণ সাধারণ মানুষের কথা ও জীবনের নিখুঁত চিত্র লক্ষ্য করা যায় তেমনি ‘একটি নদী আপন যাত্রাপথে যতবার বাঁক বদল করে, বুঝি তত বাঁকেই পূর্ণ নদী তীরবর্তী আরমান আলীর জীবন’-----পঙ,ক্তিমালায় লেখকের দার্শনিক মনন বিকাশ লক্ষণীয়। তাঁর লেখা বাস্তবতার নিরিখে ইতিহাস ঘনিষ্ঠ।

মোসাদ্দেক আহম্মেদের জন্ম ১৯৬০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাজবাড়ি জেলায়। পিতা মরহুম মরগুম আহমেদ ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। মোসাদ্দেক আহম্মেদ ছিলেন খুবই মেধাবী ছাত্র। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১২। ‘ফাদার ও ‍মুক্তিযুদ্ধের গল্পগ্রন্থ’ এবং ‘শেখ মুজিবের সাইকেল’ উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।

রাজা হাসান

সত্তরের পরে রাজবাড়িতে যে সব কবি কবিতার জগতে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন রাজা হাসান তাদের প্রেরণার উৎস। কবিতা লেখেন, কাব্যচর্চা করেন ঋষির মতো। আলাপচারিতায় বিনম্র। দৃষ্টিপাত শেকড়ের দিকে।

 

 

 

Additional information