শিল্পসংস্কৃতি-৩ - পৃষ্ঠা নং-৮

ড. মাসুদুজ্জামান

ড. মাসুদুজ্জামান কবি, গবেষক, সাহিত্যিক ও শিক্ষক। বর্তমানে তিনি গবেষণার সাথে যুক্ত এবং কলাম লেখক। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে কবিতা ও গবেষণা পুস্তকরে সংখ্যাই বেশি।

 

 

মোস্তফা মীর

হাঁটি হাঁটি পা পা করে মোস্তফা মীর সাহিত্য জগতে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। স্বাধীনতা উত্তরকালে রাজবাড়ি থেকে প্রায়শঃই সঙ্কলন বের হত এবং সকল সঙ্কলনেই মোস্তফা মীরের কবিতা, গল্প ছাপা হত। পরবর্তীতে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় তিনি গল্প ও কবিতা লিখতেন। মোস্তফা মীর বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত ঔপন্যাসিক। তার প্রকাশিত কবিতা ও উপন্যাসের সংখ্যা দশ এর উপরে।

 

 

ওবায়দুল ইসলাম

রাজবাড়ি জেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন কবি ওবায়দুল ইসলাম। তার পিতা মরহুম আব্দুল ওয়াহাব বিশ্বাস একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ছিলেন। ওবায়দুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বাংলা একাডেমীর উপ-পরিচালকের পদে আসীন থাকেন। তার প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ ‘জলে স্রোত যায়’, ‘এসব মহৎ মিথ্যাচার’, ‘আপনের সপ্তপাট’ দীপনের জবানবন্দি, ‘সারাবেলা মুখোমুখি’।

 

 

মোঃ ইদ্রিস মিয়া (ময়না ভাই)

লোকটিকে দেখলে মনে হয় না মানুষটির মেধায় এত তেজ। হালকা গড়ন তার মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। মানুষটি ৭১ এর যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন পাকিসেনাদের বিরুদ্ধে। তিনি শুধু মুক্তিযোদ্ধাই নন, তিনি একজন গীতিকার, সুরকার। তার লেখা গীতিনাট্য ‘ষোড়শী’ বেতার ও টিভিতে প্রচারিত হয়। তাঁর গান স্থানীয় অনেক শিল্পীর কণ্ঠে শোনা যায়। তার রচিত পল্লীগীতি, দেশাত্মবোধক গান, মুরশীদি, আধুনিক গান, ভাষা আন্দোলনের গান, খালকাটার গান সমাদৃত। তার জন্মস্থান লক্ষীকোল গ্রাম, পিতা মৌলবী ইব্রাহিম মিয়া। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী বুলেটিনে তাকে বিশেষভাবে প্রশংসা করা হয়েছে।

 

Additional information