শিল্পসংস্কৃতি-৩ - পৃষ্ঠা নং-৯

শহীদুল ইসলাম

শহীদুল ইসলাম (মিন্টু) ৪র্থ শ্রেণিতে থাকাকালীন কলেজের বিজ্ঞান সপ্তাহে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে উপস্থিত বক্তৃতা শুনে মনে হয়েছিল সে একদিন একটা কিছু করবে। পরবর্তীতে সে খ্যাতিমান লেখক। তার ২২টি বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত কয়েকটি গ্রন্থের নাম ‘হৃদয় ছুয়ে যায়’ (উপন্যাস), ‘ভালোবাসার প্রথম ছোঁয়া’, ‘আকবর দ্যা গ্রেট’ (অনুবাদ), ‘রাবেয়া খাতুনের নির্বাচিত উপন্যাস’ (সম্পাদনা), ‘ভুতগুলো সব জোকার’ (শিশু উপন্যাস), ‘ডেট লাইন-৭১’ (গবেষণা)।

নাসির উদ্দিন (পথিক কবি)

আমি এক সীমিত শূন্য

বিশাল শূন্যের মাঝে

একা একা বিচরণ

এই পৃথিবীর বুকে

-------নাসির উদ্দিন

আত্মার ক্রন্দনে বলিয়ান আত্মশক্তি তার, সবল বৃক্ষের মতো ছায়াদান করে চলেছেন পথে প্রান্তরে। তিনি আত্মভোলা পথিক কবি নাসির উদ্দিন। পথে প্রান্তরে ঘুরে বেরিয়েছেন ৩০ বৎসরের অধিককাল। নিজ গ্রাম খানখানাপুরের চরধোপাখালি কিন্তু জীবন কাটে হাটে-বাটে, মাঠে-ঘাটে। মাঝে মাঝে ফিরে আসেন চিরচেনা স্বজনের কাছে। এককালে রাজবাড়ি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন। রেডিওতে গান করেছেন ১৯৭৫ পর্যন্ত। পরে কবিতা লেখা, আবৃত্তি আর বিশিষ্ট ব্যক্তিগণের সাথে দর্শনচর্চা। ১৯৮৯ সালের ১২ ডিসেম্বর বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের সভাপতি রানী ইসাবেলার উত্তরসূরী প্রিন্সেস আইরীনের ভোলা জেলার অর্ফানেজে ৭২টি গাভী দেয়দান অনুষ্ঠানে নিজের লেখা ইংরেজি কবিতা আবৃত্তি করায় রানী খুশী হয়ে তাকে ‘দেয়দানে’ ভূষিত করেন। তার লেখা পাঁচ থেকে ছয়শত কবিতা অপ্রকাশিত। দেশের বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক বিশেষ করে শামসুর রহমান, রফিক আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহা, সমুদ্র গুপ্তের সাথে আলাপচারিতা। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত জীবন। সৃষ্টি তার অনবদ্য, দর্শন তার জীবনের বোধ আর পরিচয় পথিক কবি।

পল্লীকবি আকবর হোসেন

পল্লীকবি আকবর হোসেনের জন্মস্থান খামার মাগুরা জামালপুর, বালিয়াকান্দি।তিনি দক্ষতার সাথে গ্রাম্য সায়র রচনা করতেন। তার বিখ্যাত সায়রের মধ্যে ছিল বাড়াদির টর্নেডোর ট্রাজেডির বর্ণনা। ১৯৫৪-৫৫ সালে বাড়াদিতে স্বরণকালের টর্নেডো আঘাত হানে। ঐ টর্নেডোতে বাড়াদি গ্রামের ভৌগোলিক অবস্থার পরিবর্তন হয়ে যায়। ‘তাল গাছের মধ্যে দিয়ে কেমনে ছন যায়’ তাঁর কবিতার একটি লাইন।

 

 

 

Additional information