লোক ঐতিহ্য - পৃষ্ঠা নং-১১

৭। আয় বৃষ্টি ঝেঁপে

ধান দেব মেপে

ধান কাউনে এক মণ

আয় বৃষ্টি ঝম ঝম

৮। ইটে কোমরে মা’ লো,

ভিটে বাঁদে দে,

তোর ছাওয়ালের হবে বিয়ে

সাজনা সেজেছে।

৯। মদাপুরের মাদার বাবা,

সোনাপুড়ের খড়,

বহরপুরের পান শুপারী

নিয়ে আয়ছে বর,

বরের মুখে চুনকালী

করবো না তোর

গেরস্তালী।

উৎসব অনুষ্ঠান

মেলা, সার্কাস, সাপের খেলা, নাগর দোলা, পুতুল নাচ, পালা গান, লাঠি খেলা, নৌকা বাইচ, পুনাহ, নববর্ষ, হাল-খাতা, মহররম, দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা, বিবাহ , খাৎনা, খাদ্য আনুষ্ঠানিকতা, ঈদ উৎসব এসব জাঁকজমকের সাথে রাজবাড়িতে পালন করা হয়। এরমধ্যে মেলা, পার্বন, মহররম, ঈদ, দুর্গাপূজা, বিবাহ, খাৎনা প্রধান উৎসব হিসেবে পালিত হয়।

মেলা

রাজবাড়িতে অনুষ্ঠিত কয়েকটি মেলার পরিচয়-লক্ষীকোল বুড়ির মেলা, লক্ষীকোল রাজা সূর্যকুমারের বাড়ি সংলগ্ন কয়েকশত বৎসরের পুরাতন প্রকাণ্ড বটগাছের নিচে পহেলা বৈশাখ থেকে এক মাসব্যাপি মেলা বসত। সাধারণ লোকে একে বুড়ির মেলা বলত। মেলাটি রাজা সূর্যকুমারের সময় অত্যন্ত জাকমজকের সাথে পালিত হত। তার পুত্র কুমার বাহাদুর সে ঐতিহ্য রক্ষা করে গেছেন। লক্ষীকোল রাজার বাড়ির স্মৃতি চিহ্ন নেই। তবে এখানো মেলা বসে কিন্ত মেলার সে আমেজ নেই।

পাঁচুরিা বারুণী মেলা : বারণী স্নান উপলক্ষে পাঁচুরিয়া বাগচী বাড়িতে  একদিনের মেলা বসে। এ মেলায় বিভিন্ন প্রকার মাটির তৈরি খেলনা, চাকু, বটি, দা, বাঁশ ও বেতের তৈরি হস্ত শিল্পের আমদানি হয়।

Additional information