মুক্তিযুদ্ধে রাজবাড়ি - পৃষ্ঠা নং-৫

বয়োজ্যেষ্ঠ ডা. আসজাদ, ডা. এসএ মালেক-এর পরামর্শে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য তিনটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন কাজী হেদায়েত হোসেন (এমপিএ) মোসলেম উদ্দিন মৃধা (এমপিএ) ডা.  আসজাদ, ডা. এস এ মালেক, অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াজেদ চৌধুরী, ডা. জলিলুর রহমান, অমল কৃষ্ণ চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট রফিকুছ সালেহীন, আব্দুল বারি মণ্ডল, এমএ মোমেন (বাচ্চু মাস্টার), অ্যাডভোকেট আবুল বাসার, আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, আমজাদ হোসেন, নাজিবর, এটিএম রফিক উদ্দিন, এটিএম আব্দুর রাজ্জাক (উজির ভাই), ডা. গোলাম মোস্তফা, অ্যাডভোটে চিত্তরঞ্জন গুহ, অ্যাডভোকেট কমলকৃষ্ণ গুহ, অ্যাডভোকেট গণেশ নারায়ণ চৌধুরী, ফরিদ আহমেদ, এমজি মোস্তফা প্রমুখ। উক্ত সভায় প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হয়। ঐ দিনই বিকেল তিনটায় গোয়ালন্দ মডেল হাই স্কুল (বর্তমান জেলা স্কুল) স্থানীয় সূধীবৃন্দের নিকট থেকে পাওয়া বন্দুক দিয়ে সাধারণ একটি প্রশিক্ষণ মহড়া দেওয়া হয়। ডা. আসজাদ---২২ বোরের একটি, ডা. এসএ মালেক--- ২২ বোরের একটি, একেএম নুরুজ্জামান----একনালা একটি, মোঃ শামসুল হক----দোনালা একটি, মোঃ মাকসুদুল হক ---- দোনালা একটি, মোঃ এমদাদুল হক ---- দোনালা একটি বন্দুক দেন। এছাড়া প্রশিক্ষণের সময় আনসার ক্যাম্পের ডামী রাইফেল, ব্যবহার করা হয়। প্রশিক্ষণের আইটেমের মধ্যে ছিল পিটি প্যারেড, রাইফেলের যন্ত্রাংশের নাম ও ব্যবহার, ক্রুলিং, সিগন্যাল, আক্রমণ, প্রতিরোধ, আক্রমণের মহড়া ইত্যাদি। দ্বিতীয় দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় রেলওয়ে মাঠে। স্থানটি খোলা মেলা হওয়ায় াত মোল্লা বাড়ির পিছনে জঙ্গলাকীর্ণ স্থান‘ ‘পিততলায়’ সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রাথমিক অবস্থায় আব্দুল বারি মণ্ডল প্রশিক্ষণ শুরু করেন। অতঃপর নিম্নরুপ প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন-----

প্রশিক্ষক

(১) ডা. একেএম আসজাদ (২) মোঃ আব্দুল বারী মণ্ডল, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক (৩) মোঃ খেলাফত হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক (৪) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক (৫) মোঃ আব্দুস শুকুর

Additional information