সংবাদ পত্র

ষোড়শ অধ্যায়

সংবাদ পত্র

তথ্যের আদান-প্রদান সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিকাশের বাহন। সভ্যতা বিকাশের লক্ষ্যে তথ্যের আদান-প্রদান শুরু হয়েছিল হাঁটাপথে। এরপর পালের জাহাজ, ইঞ্জিনের গতি এর মাত্রা বৃদ্ধি করে। এখন আলোর গতির সমান দ্রুততায় তথ্যের আদান-প্রদান ঘটেছে। এক্ষেত্রে সুবিন্যস্ত তথ্যবিকাশে সংবাদপত্র অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। এ যুগেও এর গুরুত্ব কমেনি। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জাতি রাষ্ট্রের রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য, শিল্পের চালিকাশক্তি সংবাদপত্র। সংবাদপত্র প্রকাশের কাল সুপ্রাচীন। খ্রিস্টপূর্বের নিকটবর্তী ডাইআরনা (Acta Diurna) নামে জুলিয়াস সীজারের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রথম সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ্যাকটা ডাইআরনা অর্থ দৈনিক ঘটনাপঞ্জি। এরপর অষ্টম শতকে তাও বংশের শাসনামলে চীন থেকে সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। সংবাদপত্রের দ্রুত বিকাশ বিকাশ ঘটে ১৪৪০ সালে গুটেনবার্গের মুদ্রাযন্ত্র আবিস্কারের পর থেকে। ইউরোপের আঁধার যুগের শেষে ১৬৬১ খ্রিস্টাব্দে দৈনিক ডুরান্ট সংবাদপত্র বিকাশের মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত। বাংলাভাষায় মার্শম্যান ও কেরী সাহেবের উদ্যোগে ‘দর্পণ’ ও ‘দিকদর্শন’ ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়।

১৮৩১ সালে ঈশ্বর গুপ্তের ‘সংবাদ প্রভাকর’ এবং ১৮৩৯ সালে তত্ত্ববোধিনী প্রকাশিত হয়। ১৮৩১ সালে শেখ অলিমউল্লা সম্পাদিত সমাচার সভা এবং মৌলবী রজব আলী সম্পাদিত ১৮৪৬ সালে ‘জগদুদ্দীপক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

অঞ্চলভিত্তিক ১৮৫০ সালে কুমারখালি থেকে কাঙ্গাল হরিনাথ কতৃক ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’, ১৮৬১ সালে এলহাজ দাদ খান সম্পাদিত ফরিদপুর থেকে ‘ফরিদপুর দর্পণ’ ১৮৯০ সালে মীর মশাররফ হোসেন ও রওশন আলী চৌধুরীর সম্পদনায় কুষ্টিয়া থেকে ‘হিতকারী’ এবং ১৮৯৮ সালে পাংশা থেকে রওশন আলী চৌধুরী মাসিক ‘কোহিনূর’ পত্রিকা প্রকাশ করেন। ১৯৩৯ সালে খোন্দকার নাজির ‍উদ্দিন আহমেদের সম্পাদনায় পাংশা থেকে প্রকাশিত হয় খাতক। এরপূর্বে তিনি গুর্খা, কাঙ্গাল ও রায়ত নামে আরো তিনটি পত্রিকা প্রকাশ করেন। রাজবাড়ি থেকে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ‘সংসার’ ও ‘রাজবাড়ি পত্রিকা’ নামে দুটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

`Saugsar and Rajbari Patrika both weekly Jounal appeared in the early part of the nineteenth century.' (Faridpur Gazatteer page-264)। ১৯৬৫ সালে রাজবাড়ি শহর থেকে মাসিক চন্দনা নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হত। এসব প্রাচীন পত্রিকার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কোহিনুর খাতক ও চন্দনার পরিচয় তুলে ধরা হল।

কোহিনূর

বৃটিশ ভারতের প্রতিবাদী কংগ্রেস নেতা, অসহযোগ আন্দোলনের সংগঠক, অসাম্প্রদায়িক  চেতনার পৃষ্ঠপোষক, সমাজসেবক, পশ্চাৎপদ মুসলমান সমাজ জাগরণের প্রথম প্রকাশনা শুরু হয় ১৮৯৮ সালে জুন মাসে। এর প্রথম সংখ্যা কুমারখালির মথুরানাথ প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। এর প্রচার সংখ্যা ছিল তিনহাজার (সংবাদ পত্র ও সাংবাদিকতায় রাজবাড়ি জেলার অবদান-অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল হোসেন মল্লিক পৃষ্ঠা-২২)। কোহিনূর পত্রিকা তিন পর্যায়ে ১১ বছর প্রকাশিত হয়েছিল। বার্ষিক মূল্য ছিল দুই টাকা। এ পত্রিকার পরিচালনা পর্যদের পরিচালনা পর্যদের সদস্য ছিলেন তৎকালীন সমাজের বিবেক বলে পরিচিত মুন্সী মেহের উল্লা, কবি কায়কোবাদ, স্কুল পরিদর্শক আব্দুল করিম, আহমদী পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল হামিদ ইউসুফী এবং ঐতিহাসিক নিখিলনাথ রায়। ৩০ থেকে ৪০ পৃষ্ঠার মধ্যে এ পত্রিকায় লিখতেন শ্রীযুক্ত গোপাল চন্দ্র সাহিত্যবিশারদ, কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্তী, শশীভূষণ মজুমদার, শ্রীকান্ত মজুমদার, মুন্সি মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, কবি কায়কোবাদ, কবি মোজাম্মেল হক, আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ, শেখ ফজলুল করিম, সৈয়দ এমদাদ আলী, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সতেন্দ্রনাথ দত্ত, মীর মশাররফ হোসেন, রওশন আলী চৌধুরী, এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রমুখ। কোহিনুর ছিল মূলত সাহিত্য পত্রিকা। রওশন আলীর পর এ পত্রিকা প্রকাশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন অনুজ এয়াকুব আলী চৌ্ধুরী। তৎকালীন সময়ের সমাজচিন্তা, ইংরেজ শাসন, শোষণ, নির্যাতন, রক্ষণশীলতা, কুসংস্কার, মুসলমান সমাজের পশ্চাৎদতা ইত্যাদি বিষয় প্রতিফলিত হত।


এ পত্রিকাটি তৎকালীন হিন্দু ও মুসলমান সমাজে অভূতপূর্ব সাড়া জাগায়। অবিভক্ত বাংলায় আসাম, ত্রিপুরায় এ পত্রিকার পাঠক ছিল। এমন কি দক্ষিণ আফ্রিকা ও বার্মায় (মায়ানমার) চাকরিরত বাঙালিরা এ পত্রিকা পাঠ করতেন।

খাতক

অবিভক্ত বাংলায় কাঙ্গাল হরিনাথকে গ্রামীণ সংবাদপত্রের পথিকৃত বলা হয়। একই সমতলের পাংশার খোন্দকার নজির উদ্দিন আহম্মদ ছিলেন তাঁর উত্তরসূরী। তিনি ছিলেন দরিদ্র কৃষক প্রজার দরদী বন্ধু। তিনি একাধারে রাজনিতিবিদ, সাংবাদিক, সমাজসেবক। মানবকল্যাণে নিবেদিত খোন্দকার নজির উদ্দিন সাধারণ মানুষের বঞ্চনা দেখে ব্যাথিত হন। তিনি লেখনির মাধ্যমে তাদের দুঃখ দুর্দশা তুলে ধরতে প্রয়াশী হন। প্রথমেই তিনি ১৯২২ সালে পাংশা কমলা প্রেস থেকে ডিমাই সাইজের ‘গুর্খা’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটি স্বল্পকাল স্থায়ী হয়। এরপর ১৯২৫ সালে উক্ত প্রেস থেকে ‘কাঙ্গাল’ নামে পত্রিকা প্রকাশ করেন। কাঙ্গাল পত্রিকা প্রকাশের মূল উদ্দেশ্য ছিল ঋণগ্রস্থ প্রজাদের সুদের বেড়াজালে আটকে যাওয়ার করুণ চিত্র তুলে ধরা। গরিব প্রজা, মহাজন, জোতদার, ধনি, বনিকদের থেকে উচ্চসুদে ঋণ নিয়ে কীভাবে সহায় সম্বলহীন কাঙ্গালে পরিণত হচ্ছে তারই চলমান চিত্র কাঙ্গাল পত্রিকায় প্রকাশিত হত। নাজির উদ্দিন সম্পাদিত রায়ত পত্রকাতেও সে তথ্য সন্নিবেশিত হয়। খোন্দকার নজির উদ্দিন আহম্মেদ সম্পাদিত ‘খাতক’ পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে। সাপ্তাহিক খাতক কমলা প্রেস পাংশা থেকে প্রকাশিত হত। ১৯৫৮ সালে নাজির উদ্দিন আহমদের মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ১৯ বছর ধরে পত্রিকাটি প্রকাশিত হতে থাকে। তৎকালীন ফরিদপুর জেলায় খাতকই ছিল একমাত্র পত্রিকা। ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত ফরিদপুর গেজেটিয়ার Khatak a weekly jourral was edited and published by Naziruddin from pangsa। কমলা প্রেস বন্ধ হলে খাতক ফরিদপুর মুসলিম প্রেস থেকে মুদ্রিত ও পাংশা থেকে প্রকাশিত হত। এ পত্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ সংবাদসহ নিলাম, ইস্তেহার, গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, টিকা টিপ্পনি ছাপা হত। খাতক শ্রেণিবৈষম্যের শিকার উচ্চ শ্রেণির দ্বারা সাধারণ মানুষের শোষণের নানা কৌশল ক্রিয়া খাতকে প্রকাশিত হত। এক পর্যায়ে পত্রিকাটি ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষাকগণের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে। কবি গোলাম মোস্তফা, কাজী আব্দুল মাজেদ, রিজিয়া, গাফফার চৌধুরী এ পত্রিকায় লিখতেন। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, তমিজ উদ্দিন খান, বাহাদুর ইউসুফ হোসেন চৌধুরী এর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।

সাপ্তাহিক বাণী

১৯৩০ সালের দিকে রাজবাড়ি শহরের প্রেস থেকে সাপ্তাহিক বাণী নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হত। মনমথনাথ পাল ছিলেন প্রেসের স্বত্ত্বাধিকারী এবং তিনিই পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছিলেন কংগ্রেস নেতা। কংগ্রেসের স্থানীয় স্থপতি হিসেবে পত্রিকাটি প্রকাশিত হত। Bani Appeared from Rajbari in 1936 it was edited and published by manmothanath pal.

(ফরিদপুর গেজেটিয়ার পৃ-৩৫১)।

মাসিক চন্দনা

এক সময়ের খরস্রোতা এবং রাজবাড়ি জেলার আংশিক ভূমি গঠনের স্রোতম্বিনী চন্দনার নাম অনুসারে ১৯৬৫ সাল থেকে মাসিক চন্দনা নামে একটি পত্রিকা প্রায় পাঁচবছর নিয়মিত প্রকাশিত হয়। আমি তখন রাজবাড়ি কলেজের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র। ডিমাই সাইজের পত্রিকাটি কভার পেজ ছিল আকর্ষণীয়। আমি এর নিয়মিত পাঠক ছিলাম। আমার লেখা দুটি কবিতা ছাপা হয়েছিল। তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক নুরুদ্দিন আল মাসুদ এর পৃষ্ঠপোকতায় রাজবাড়ি থেকে প্রকাশিত হতে থাকে। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন অ্যাডভোকেট মাজেদ আলী খান। সম্পাদক ছিলেন ড. ফকীর আব্দুর রশিদ। সম্পাদনা ও পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন ডা. একেএম আসজাত একেএম আবদুর রাজ্জাক, অধ্যাপক আবদুল ওহাব, ফিরোজা সুলতানা, এমএ মোমেন বাচ্চু মাস্টার, রশীদ মাস্টার মকসুদ আহমেদ প্রমুখ। ড. কাজী মোতাহার হোসেন, বামন দাস গুহরায়, কাজী ইকবাল ফারুক, আমিনুর রহমান আবি, দেবাহুতি চক্রবর্তী নিয়মিত লেখক ছিলেন।


১৯৬০’র পর থেকে রাজবাড়ি শহর থেকে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকা

পত্রিকার নাম                   :                      সম্পাদক                      :                     প্রকাশকাল


মাসিক চন্দনা                   :            ড. ফকীর আব্দুর রশিদ               :                      ১৯৬৫


মাসিক তাওহীদ                 :           ড. ফকীর আব্দুর রশিদ                :                      ১৯৭২


রংবেরং                         :           আমিনুল ইসলাম                        :                      ১৯৮২


কুড়ি                            :           আবু মুসা বিশ্বাস                        :                       ১৯৮২


কংকাল কথা কও              :           বাবু মল্লিক                             :                       ১৯৮৩


ঘূর্ণী                             :           বাবু মল্লিক                             :                        ১৯৮৩


পাক্ষিক রাজবাড়ি পদ্মা         :           বাবু মল্লিক                             :                       ১৯৮৫


সাপ্তাহিক রাজবাড়ি সংবাদ     :           আবু মসা বিশ্বাস                       :                        ১৯৮৫


রাজবাড়ি সরকারি কলেজ বার্ষিকী-১৯৬৩ সাল থেকে

অনুসন্ধান                       :      বাবু মল্লিক                                  :                        চলমান

(রাজবাড়ি থেকে প্রকাশিত প্রথম দৈনিক)                                           :


প্রতিবেদন                       :       বাবু হক                                    :                        ১৯৮৫


নির্মাণ                           :       হাসান মাহমুদ                              :                         ১৯৮৭


তারুণ্য                          :       মামুদুল ইসলাম                             :                         ১৯৮৯


প্রিয়মুখ                          :       ইব্রাহিম রানা                               :                         ১৯৯০


পাক্ষিক পদ্মা                     :      কেএম মারুফ                              :                          ১৯৯২


রাজবাড়ি কণ্ঠ                   :      খান মোঃ জহুরুল হক                     :                          ১৯৯৭


সাপ্তাহিক রাজবাড়ি বার্তা        :      মোঃ মশারফ হোসেন                      :                         চলমান


সাহসী সময়                      :      খোন্দকার আব্দুল মতিন                   :                         চলমান


দৈনিক মাতৃকণ্ঠ                  :      খোন্দকার আব্দুল মতিন                   :                        চলমান


সোপান                           :      অধ্যাপক মতিয়র রহমান                  :                   

(আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে)


দৈনিক গতকাল                   :


পাংশা থেকে প্রকাশিত পত্রপত্রিকা

কোহিনূর (নবপর্যায়ে)            :               শেখ মুহম্মদ সবুর উদ্দিন                   :                    ১৯৬৭


চন্দনা                             :               মোঃ আসজাদ ও রিয়াজুল ইসলাম জাহাঙ্গীর                     ১৯৭২


সাহিত্য শিক্ষা                     :              মোল্লা মাজেদ                                 :                     ১৯৭৩


কাকলী                           :              মোল্লা মাজেদ                                 :                     ১৯৭৩


নীল সবুজের ঢেউ                :              মোল্লা মাজেদ                                 :                     ১৯৭৪


হিজল তমাল                     :              আকিদুল ইসলাম                              :                     ১৯৭৮


আলো                            :              আব্দুস শুকুর বিশ্বাস                          :                     ১৯৭৯


প্রতিশ্রুতি                        :              আকিদুল ইসলাম                              :                     ১৯৮১


মহুয়া                           :              অধ্যাপক আবুল হোসেন মল্লিক              :                      ১৯৮৫


উপকণ্ঠ                         :              মোল্লা মাজেদ                                :                      ১৯৮১



পূরবী                           :              হাসান জামান                               :   


পাংশা থিয়েটার পত্রিকা        :             আকিদুল ইসলাম                             :                      ১৯৮২


পায়রা                          :             দিপক কুণ্ড                                  :                      ১৯৮২


দাওয়াত                        :             হাফিজুর রহমান                            :                      ১৯৮২


আর্তনাদ                        :             মানস সাহা                                 :                      ১৯৮৩


দোলনা                         :            আকিদুল ইসলাম                            :                      ১৯৮৩


স্লোগান                         :            আকিদুল ইসলাম                            :                     ১৯৮৩


প্রতিচ্ছবি                       :            মোঃ লিয়াকত হোসেন                      :                     ১৯৮৪


মহামায়া                        :           হিমাংশু কুণ্ডু                                :                      ১৯৮৪


মাত্রি                            :           মুরসালিন কায়কাউস                       :                      ১৯৮৯


জনবার্তা                        :           অধ্যাপক আবুল হোসেন মল্লিক             :                      ১৯৯১


পরশ পাথর                     :          রফিকুল ইসলাম রঞ্জু                        :                      ১৯৮৯


সনাতন সঞ্জীবন                :          শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ও পুলক চন্দ্র পাল                      ১৯৮৯


বিজয় স্তম্ভ                      :          এ এস এম রহমত                           :                       ১৯৯৫


 পাংশা মহাবিদ্যালয় বার্ষিকী   :          নিয়মিত


সচিত্র পাংশা দর্পণ               :         কবি ফিরোজ হায়দার                       :                      ২০০৫


ছায়াপথ                         :         মোঃ মকারম হোসেন                       :                      ২০০৭


সাহিত্য সৌরভ                  :         এস আলী আহসান                          :                    ২০০৭


সঙ্গীতা                           :         মোঃ মসলেম উদ্দীন                        :                    ২০০৭


মুক্ত বিহঙ্গ                       :        নয়নকুমার সাহা                            :                     ২০০৭


চন্দনা পত্রিকা                   :        পাংশা উপজেলা সমিতি ঢাকা                :   


পাংশা দর্পন                      :       অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম                   :                     ২০০৭


বালিয়া কান্দি

সাহিত্য সাময়িকী                :      কামরুল হাসান পলাশ                       :                     ১৯৯৪


মীর মশাররফ হোসেন           :     একরামূল হক                                 :                 রতিবছর


স্মরণিকা-

সাহিত্য সাময়িকী                                 :                  চন্দনা সংস্কৃতি গোষ্ঠী প্রতিবছর  ৬৪-৬৫


সাংবাদিক ও কলামিস্ট

প্রিন্ট মিডিয়া


অধ্যাপক মোঃ আব্দুল গফুর                              :                      ভাষা সৈনিক, সাংবাদিক, কলামিস্ট


রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই                              :                      সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক,

                                                                                  কেন্দ্রীয় কচি কাঁচার মেলার পরিচালক


গোলাম তাহবুর                                           :                     আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফবি

                                                                                  ব্যুরোর ঢাকার স্থায়ী প্রতিনিধি


ফকীর আব্দুর রাজ্জাক                                     :                     সম্পাদক বাংলার বাণী


বেনজীর আহমেদ, সম্পাদক                               :                     ভোরের কাগজ।


উপাধ্যক্ষ আকবর আলী মিয়া                              :                    বাংলাদেশ অবজার্ভার


অধ্যাপক আবদুল ওহাব                                    :                    পূর্বদেশ


অধ্যাপক ড. ফকীর আব্দুর রশীদ                          :                    জাতীয় পত্রিকার লেখক


শ্যামল কুমার মজুমদার                                     :                    দৈনিক  ইত্তেফাক


শিবেন্দ্রনাথ কুণ্ডু                                             :                    দৈনিক সংবাদ


কাজী ইকবাল ফারুক                                      :                    বাংলাদেশ অবজার্ভার


মকসুদ আহমেদ রাজা                                       :                   বাংলাদেশ অবজার্ভার


মোঃ ছানাউল্লা                                               :                   দৈনিক বাংলা


শামিমা চৌধুরী এলিস                                        :                  প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ

                                                                                 পোস্ট গবেষণা কর্মকর্তা


দেলওয়ার হোসেন                                            :                 দৈনিক সংবাদ


মোঃ মশারফ হোসেন                                         :                দৈনিক সংগ্রাম, বাংলাদেশ অবজার্ভার


আহসান হাবিব টুটুল                                          :               দৈনিক বাংলার বাণী


লিটন চক্রবর্তী                                                 :               দৈনিক খবর


সিরাজুল ইসলাম                                               :              দৈনিক মিল্লাত


আফজাল হোসেন                                               :             দৈনিক আল মুজাদ্দেদ


হিমাংশু কুমার সাহা                                           :             দৈনিক ভোরে কাগজ, প্রথম আলো।


অধ্যাপক ইজাজুল হক                                         :             দৈনিক সংগ্রাম


মোঃ জামাল উদ্দিন                                            :             দৈনিক জনতা


আবদুল মালেক                                                :             দৈনিক রুপালি


আবদুর রাজ্জাক রাজু                                           :            দৈনিক রুপায়ণ


অধ্যাপক আবু মুসা বিশ্বাস                                     :           দৈনিক যুগান্তর


খান মোঃ জহুরুল হক                                          :          দৈনিক আমার দেশ


এম মনিরুজ্জামান                                               :           দৈনিক নয়াদিগন্ত


মোঃ মতিউর রহমান                                           :           দৈনিক আল আমিন, যায় যায় দিন


মোঃ সিরাজুল আলম ভুঁইয়া                                     :           দৈনিক জনতা


মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন                                          :           কালের কণ্ঠ


মোঃ মোমিনুল ইসলাম                                          :           দৈনিক ইনকিলাব


কাজী আবদুল কুদ্দুস বাবু                                       :           দৈনিক দিনকাল


মোঃ শহীদুল ইসলাম ইসলাম হিরণ                             :            সাপ্তাহিক তদন্ত প্রতিবেদন


মোঃ সাজিদ হোসেন                                             :           দৈনিক ডেসটিনি


রিমন রহমান                                                    :           ফ্রিল্যান্স


রাশেদ রায়হান                                                   :           প্রথম আলো


ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়া

অধ্যাপক এটিএম রফিক উদ্দিন                                  :                               বাংলাদেশ বেতার


খান মোঃ জহুরুল হক                                            :                               চ্যানেল আই


মোঃ ছানাউল্লা                                                     :                            বিটিভি


মোঃ মশারফ হোসেন                                              :                            দিগন্ত টেলিভিশন


মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন                                             :                            একুশে টেলিভিশন


এস দেলওয়ার হোসেন                                             :                            রেডিও টুডে


কাজী আব্দুল কুদ্দুস বাবু                                           :                            বৈশাখী টেলিভিশন


আহসান হাবিব টুটুল                                               :                            এনটিভি


এম মনিরুজ্জামান                                                   :                           আরটিভি


 রাজবাড়ি প্রেসক্লাব কার্যনির্বাহী কমিটি

নং        পদবী                   নাম                             কর্মরত প্রতিষ্ঠান                        ফোন নম্বর


১।      সভাপতি      অধ্যাপক এটিএম রফিক উদ্দিন          বাংলাদেশ বেতার                  ০১৭১০-৯১০২০৯


২।    সহ সভাপতি     মোঃ মোশারফ হোসেন                  বাংলাদেশ অবজারভার

                                                                    ও দিগন্ত টেলিভিশন              ০১৭১৬-৩৬৩৮৫৭


৩।    সহ-সভাপতি     এম মনিরুজ্জামান                         দৈনিক নয়াদিগন্ত ও

                                                                      আর টিভি                       ০১৭১৮-৩০৩১৫৭


৪।   সাধারণ সম্পাদক     খান মোঃ জহুরুল হক             দৈনিক আমার দেশ

                                                                   ও চ্যানেল আই                         ০১৭১১-১৫৪৩৯৬

                                                                    রাজবাড়ি কণ্ঠ 


৫।     সহ-সম্পাদক      খোন্দকার আব্দুল মতিন             দৈনিক মাতৃকণ্ঠ                      ০১৭১৩-৪৮৯৪৭২

                                                                     ও সাপ্তাহিক সাহসী সময়


 ৬।   অর্থ-সম্পাদক      মোঃ মতিউর রহমান                দৈনিক যায় যায় দিন                ০১৭১২-২২৫০০১


৭।    ক্রীড়া-সাহিত্য ও   মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন                যায় যায় দিন ও একুশে

       সাংস্কৃতি সম্পাদক                                         টেলিভিশন                          ০১৭১২-৮৪০৮১৫


৮।   কার্যনির্বাহী সদস্য    অধ্যাপক আবু মুসা বিশ্বাস          দৈনিক যুগান্তর                     ০১৭১১-২৪০৩৮০


৯।   কার্যনির্বাহী সদস্য     মোঃ সিরাজুল আলম ভূঁইয়া        দৈনিক জনতা                      ০১৭১৫-৩৭৩৩৮০


১০।  কার্যনির্বাহী সদস্য     এম দেলোয়ার হোসেন              দৈনিক সংবাদ ও রেডিও টুডে    ০১৭১১-২২৫৭৩৪


১১।  কার্যনির্বাহী সদস্য      মোঃ মোমিনুল ইসলাম            দৈনিক ইনকিলাব                  ০১৭১৬-০৯১৮৮০


১২।  কার্যনির্বাহী সদস্য      কাজী আব্দুল কুদ্দুস বাবু          দৈনিক দিনকাল                    ০১৭১১-২০২৬১৭


১৩।   কার্যনির্বাহী সদস্য     মোঃ শহীদুল ইসলাম হিরন      সাপ্তাহিক তদন্ত প্রতিবেদন        ০১৭১৬-১৮৮০৪১


১৪।  কার্যনির্বাহী সদস্য      রিমন রহমান                     ফ্রিল্যন্স                              ০১৭১১-১২৫৫০৯


১৫।  কার্যনির্বাহী সদস্য      শ্যামল কুমার মজুমদার          দৈনিক ইত্তেফাক                     ০১৭১৭-৬৯৫৯১৯


১৬।  কার্যনির্বাহী সদস্য      মোঃ সাজিদ হোসেন দৈনিক ডেসটিনি                                 ০১৭১৫-৪৭৭৭১১


 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Additional information