লেখকের কথা

আজকের বর্তমান আগামীকালের অতীত। অনেক অতীত দিনের জীবনের সম্পৃক্ততার ঘটনা, কাহিনী, জয়-পরাজয়, অনুসন্ধান, তথ্যবিশ্লেষন সব মিলিয়ে সৃষ্ট হয় ইতিহাস।  তাই ইতিহাস রাজা বাদশার কাহিনী সম্বলিত গল্প নয়। ইতিহাস একটি জাতির সকল সময়ের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রাকৃতিক সকল ঘটনা সমূহের তথ্য ভান্ডার। অতীত তথ্য ভান্ডারকে অবলম্বন করে বর্তমান দিনের তথ্য ভান্ডারের সমন্বয়ে সৃষ্ট হয় জাতির নতুন ইতিহাস। আমরা বাংলাদেশী, জাতিতে বাঙ্গালী। আমাদের রয়েছে গৌরবময় ভাষার ইতিহাস, স্বাধীনতার ইতিহাস। এছাড়া যুগপ্রবাহে ভু- উত্থান থেকে শুরু করে আমাদের সমাজ বিন্যাস। রাজনৈতিক ইতিহাস কম সমৃদ্ধ নয়। অতীত এ সকল সমৃদ্ধ ইতিহাসের তথ্য ভান্ডারের আলোকে বাঙ্গালী জাতি তার আয়নায় নিজেকে চিনে নিতে পারে। সেই সাথে দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে সচেষ্ট হতে পারে। রাজবাড়ি জেলার ইতিহাস রচনা মুলত দেশের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে সামান্য ও খন্ডাংশের ইতিহাস রচনার প্রয়াস মাত্র। রাজবাড়ি সাইবার রিসার্চ ইনষ্টিটিউট  রাজবাড়ি সাইবার রিসার্চ ইনষ্টিটিউট ফেইজ বুক রাজবাড়ি ডিসি অফিসের ফেইজ বুক  ♣  এক নজরে রাজবাড়ি জেলা জেলা প্রশাসক রাজবাড়িজেলা প্রশাসন রাজবাড়ি ♣ স্থানীয় সরকার ♣ সরকারী অফিস সমূহঅন্যান্য  প্রতিষ্ঠান ♣ ই-সেবা ফটোগ্যালারী ♣ ই-বুকবাংলাদেশ সরকারের ফরম

এ যাবৎ কালে দেশের অনেক বরেণ্য ঐতিহাসিকগণ বাংলার সমৃদ্ধ ইতিহাস রচনা করে গেছেন। তা সত্ত্বেও বলতে হয় ইতিহাস রচনা একটি নিয়তধারা। ১৯৮৪ সালে ১লা মার্চ তৎকালিন ফরিদপুর জেলার মহকুমা গুলিকে ভেঙ্গে জেলায় রুপান্তরিত করা হয় এবং সে থেকে রাজবাড়ি জেলা। রাজবাড়ি আজ কোন জেলার অংশ নয় বা বৃহত্তর কোন জেলার অংশ হিসাবে পরিচয় দেবার প্রয়োজন নেই যদিও কোন কোন ক্ষেত্রে তা করা হচ্ছে। রাজবাড়ি জেলার এটাই বাস্তবতা এবং জেলার পরিচয় দেবার মত রয়েছে অতীত ও বর্তমান ঐতিহ্য। একক ইতিহাস খন্ডাংশের সমষ্টিরুপ। আমাদের দেশের আনাচে কানাচে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের বিপুল উপাদান। বিশেষয়িত ভাবে ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র অংশের ইতিহাসের মূল্য কম নয়। এ বিষয়টির প্রতি লক্ষ্য রেখে এ যাবত কালে পূর্বের অনেক বড় বড় জেলা সমূহের ইতিহাস রচিত হয়েছে। দেশের বর্তমান জেলা সমূহের শাসন, সাহিত্য, উন্নয়ন, রাজনীতির ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রয়েছে। তাছাড়া নিদিষ্ট জেলার জেলাবাসী স্বকর্মের অবদান রাখতেও তৎপর। সেক্ষেত্রে আপন সত্বার পরিচয়, ঐতিহ্য তার জানা প্রয়োজন। বৃহৎ জেলাগুলি ভেঙ্গে মহকুমা জেলায় রুপান্তরিত হলেও সকল জেলার ইতিহাস রচিত হয় নাই। রাজবাড়ি জেলাবাসীর অনেকের সাথে আলাপ করে জানা যায় তারা মনে করে সামান্য হলেও তাদের জেলার ইতিহাস ঐতিহ্যের কাহিনী জানা একান্ত প্রয়োজন। ইতিমধ্যে রাজবাড়ি জেলা সম্বন্ধে স্থানীয় পুস্তিকা, পত্রিকা এবং জাতীয় পত্রিকায় কিছু কিছু তথ্য বিচ্ছিন্নভাবে আসলেও তা থেকে জেলার সম্যক ধারনা আসেনা। আব্দুস সবুর অনেক পূর্বে পাংশা থেকে একটি ইতিহাস পুস্তিকা বের করেন কিন্তু তিনি জেলার সমগ্র ইতিহাস ধারন করেন নাই।

Additional information