লেখকের কথা - লেখকের কথা-৫

পরবর্তী সংকলন বের হলে এবং আমাকে এ ব্যাপারে তথ্য প্রদান করে সাহায্য করলে তা লেখা সম্ভব হবে। রাজবাড়ি সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মিজানুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রহমান, উক্ত বিভাগের প্রভাষক ফকরুজ্জামান, ইংরেজী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আকবর হোসেন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র বসাক, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কেরামত আলী আমাকে ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে বই, তথ্য, উপদেশ ও উৎসাহ দিয়ে কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ করেছেন। আমার  এ ইতিহাস রচনায় যিনি আমাকে তথ্য প্রদান, তথ্য বিন্যাস ও তথ্য সন্নিবেশ করে বেশী সাহায্য করেছেন তিনি আমার অতি নিকট আত্মীয় দেশের বরেণ্য কবি সমুদ্র গুপ্ত। তিনি আমার পুস্তকের ভাষা সম্পাদনা করে আমাকে চিরকৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ করেছেন। সাংবাদিক বুলবুল আমাকে অনেক তথ্য প্রদান করে সাহায্য করেছেন। সাংবাদিক জহুরুলের নিকট আমি কৃতজ্ঞ। আমার স্ত্রী শাহীনুর বেগম সংসার ও সরকারী গুরু দায়িত্ব পালনের পরও আমাকে এ পুস্তক লেখায় যে সহযোগীতা ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন আমি তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ছাত্র শহীদুল আমাকে অনেক তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে দিয়েছে। ফরিদুল, লাইব্রেরিয়ান বুলবুল সহ অসংখ্য ছাত্র ছাত্রী তথ্য প্রদান সহ যে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন এরজন্য আমি তাদের বিশেষভাবে স্মরণ করছি। স্নেহের ছাত্র আতাউল, ইউসুফ ও সঞ্জয় পুস্তকটির কম্পিউটারকরণ, তথ্য প্রদান এবং প্রচ্ছদ পরিকল্পনায় সাহায্য করে পুস্তকটিকে সমৃদ্ধ করেছে। স্নেহের ছাত্র সবুর পুস্তকটি কম্পিউটারকরণে অসীম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে, কৃতজ্ঞতা ছাড়া এ কাজের মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। ছাত্র গোলাম জিলানী (ফরিদ) পুস্তকটির প্রকাশের দায়িত্ব না নিলে এত দ্রুত এ পুস্তক প্রকাশ করা সম্ভব হত না। আমার কন্যা তাহশেকা রহমান, জামাতা আবুল বাশার চৌধুরী পুস্তকটির প্রকাশে সব সময় উদ্দীপনা দিয়ে আসছে। বৌমা আফরীনা (রেখা) তার সেবা দিয়ে আমাকে এ পুস্তক লেখার কাজে সাহায্য করেছে। আমার লেখা ‘রাজবাড়ির ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ রচনার ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহ ও তথ্য সন্নিবেশে আমি ইতিহাসের নিয়ম মেনে তা রচনা করার চেষ্টা করেছি। তা সত্বেও ভুলত্রুটি থাকতে পারে। যুক্তিপূর্ণ ঐতিহাসিক উপাদান ও তথ্য পেলে আগামী সংকলন আরো সমৃদ্ধ করার ইচ্ছা রইল। সবশেষে শোভন, আনতারা, নাতি (প্রজন্ম) সহ সকল পাঠককুলকে স্মরণে রেখে আমার প্রায় দশ বৎছরের নিরলস কর্মের এ স্মৃতি চিহ্নটি সকলের প্রতি নিবেদন করছি।

মতিয়র রহমান

বেড়াডাঙ্গা-১

রাজবাড়ি।

০২/০২/২০০০

Additional information